Tuesday, April 29, 2025

৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানে ভারতের হামলার পরিকল্পনার গোয়েন্দা তথ্য আছে

 

৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানে ভারতের হামলার পরিকল্পনার গোয়েন্দা তথ্য আছে

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার

ভারত আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে এমন ‘বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা’ তথ্য পাকিস্তানের হাতে আছে। মঙ্গলবার রাতে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সাংবাদিকদের এ কথা বলেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে এক বৈঠকে গত সপ্তাহে কাশ্মীরে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনার জবাব দিতে সশস্ত্র বাহিনীকে ‘অভিযান পরিচালনার পূর্ণ স্বাধীনতা’ দেয় ভারত সরকার।

ভারতের এই সিদ্ধান্তের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভারত পেহেলগামের ঘটনায় জড়িত থাকার ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগের অজুহাত দেখিয়ে আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে চায় এমন বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য পাকিস্তানের কাছে আছে।’

আতাউল্লাহ তারার বলেন, পাকিস্তান এ অঞ্চলে ভারতের স্বঘোষিত বিচারক ও সাজা কার্যকরের ভূমিকা তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করছে। দেশটির এ আচরণ বেপরোয়া।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তান নিজেই সন্ত্রাসবাদের বড় ভুক্তভোগী এবং এই অভিশাপের যন্ত্রণা গভীরভাবে অনুধাবন করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বের যেকোনো জায়গায় সবসময় সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ এবং এর বহিঃপ্রকাশের নিন্দা জানিয়ে আসছি।’

আতাউল্লাহ তারার বলেন, দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান সত্য নিরূপণের জন্য বিশেষজ্ঞদের একটি নিরপেক্ষ কমিশনের মাধ্যমে বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ এবং স্বাধীন তদন্তের আন্তরিক প্রস্তাব দিয়েছে। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যবশত যুক্তির পথ অনুসরণ করার পরিবর্তে ভারত স্পষ্টতই অযৌক্তিকতা এবং সংঘাতের বিপজ্জনক পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার পরিণতি সমগ্র অঞ্চল এবং এর বাইরেও হবে বিপর্যয়কর।https://www.profitableratecpm.com/gx9yb88j9?key=8ad01ead00439fdbd455db566904f6c9

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত এড়িয়ে যাওয়াই ভারতের আসল মতলব প্রকাশের জন্য যথেষ্ট প্রমাণ।’

আতাউল্লাহ তারার বলেন, ভারতের এ ধরনের যেকোনো সামরিক অভিযানের জবাব নিশ্চিতভাবে এবং দৃঢ়তার সঙ্গেই দেওয়া হবে। যেকোনো মূল্যে পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় দেশটির সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই এই বাস্তবতা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে যে পাল্টাপাল্টি উত্তেজনা সৃষ্টি এবং এর পরবর্তী পরিণতির দায়ভার সরাসরি ভারতের ওপর বর্তাবে।’

এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিন বাহিনীর প্রধান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন। ভারতের সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানিয়েছে, রাতে ওই বৈঠকে নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ভারতের পক্ষ থেকে জবাব দেওয়ার সময়, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ এবং কোন প্রক্রিয়ায় জবাব দেওয়া হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীর ‘পূর্ণ স্বাধীনতা’ রয়েছে।

পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশের মধ্যে নতুন করে এই উত্তেজনা শুরু হয় ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর বন্দুকধারীদের হামলার পর। ওই হামলায় ২৬ জন নিহত হন। নৃশংস এই হামলার পেছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। তবে এসব অভিযোগ নাকচ করেছে পাকিস্তান।

বাংলাদেশে কেন এত বেশি বজ্রপাত হয়?

 

বাংলাদেশে কেন এত বেশি বজ্রপাত হয়?

বাংলাদেশে প্রতিবছরই বজ্রপাতে অনেক মানুষের হতাহত হওয়ার ঘটনা ঘটছে

বাংলাদেশে গত কিছুদিন ধরে প্রতিদিনই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটছে। বুধবার দেশটির কয়েকটি জেলায় বজ্রপাতে বিশজনের বেশি ব্যক্তি মারা গেছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার যে দেশগুলোয় বজ্রপাতের প্রবণতা বেশি, তার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশও। কিন্তু এর কারণ কি?

বাংলাদেশে বজ্রপাত নিয়ে গবেষণা করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এ ফারুখ।

তিনি বলছেন, ''বাংলাদেশে বজ্রপাতের মূল কারণ দেশটির ভৌগলিক অবস্থান। বাংলাদেশের একদিকে বঙ্গোপসাগর, এরপরই ভারত মহাসাগর। সেখান থেকে গরম আর আর্দ্র বাতাস আসছে। আবার উত্তরে রয়েছে পাহাড়ি এলাকা, কিছু দূরেই হিমালয় রয়েছে, যেখান থেকে ঠাণ্ডা বাতাস ঢুকছে। এই দুইটা বাতাসের সংমিশ্রণ বজ্রপাতের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে''।

তিনি বলেন, ''শীতের পর বঙ্গোপসাগর থেকে উষ্ণ বাতাস আসতে শুরু করে, অন্যদিকে হিমালয় থেকে আসে ঠাণ্ডা বাতাস। দক্ষিণের গরম আর উত্তরের ঠাণ্ডা বাতাসে অস্থিতিশীল বাতাস তৈরি হয় আর এর থেকে তৈরি হয় বজ্র মেঘের। এরকম একটি মেঘের সঙ্গে আরেকটি মেঘের ঘর্ষণে বজ্রের তৈরি হয়। এরকম উচ্চ ভোল্টের বৈদ্যুতিক তরঙ্গ যখন মাটিতে নেমে আসে, তখন সবচেয়ে কাছে যা পায়, তাতেই আঘাত করে।''

বজ্রপাত থেকে রক্ষার জন্য সীমিতভাবে কিছু প্রচারনা আছে

আকাশ থেকে মাটিতে ছাড়াই আকাশ থেকে আকাশে বা মেঘ থেকে মেঘে অথবা মেঘের মধ্যেও বজ্রপাত হয়ে থাকে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৭ বছরে বাংলাদেশে বজ্রপাতে সারাদেশে ১৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বিপুল সংখ্যক গবাদি পশু মারা গেছে।

তবে মি. ফারুখ বলছেন, গত ছয় বছরের তথ্য অনুযায়ী, বজ্রপাতে হতাহতের সংখ্যা আসলে দুই হাজারের বেশি।

বাংলাদেশের জাতীয় দুর্যোগের তালিকায় ২০১৬ সালের ১৭ই মে বজ্রপাত অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এম এ ফারুখ বলছেন, ''দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলঙ্কা, ভারতের কয়েকটি অংশে এবং নেপালেও বজ্রপাত হয়। তবে এসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বজ্রপাতের প্রবণতা অনেক বেশি। দেশের আয়তনের তুলনায় হতাহতের সংখ্যাও অনেক বেশি।''

তার কাছে থাকা স্যাটেলাইট ছবির বরাত দিয়ে তিনি বলছেন, ''এখনো দেখতে পাচ্ছি, ভারত মহাসাগরের ওপরের এই অংশে এই মুহূর্তে তিন হাজারের বেশি বজ্রপাত ঘটছে। কিন্তু এই বাতাসটি ভারত, বা মিয়ানমারে না গিয়ে সরাসরি বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকে পড়ছে। এ কারণেই বাংলাদেশে এত বেশি বজ্রপাত ঘটছে।''

তিনি বলছেন, ''তবে দেশের আয়তন হিসাবে বাংলাদেশে বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বেশি। এর কারণ হিসাবে তিনি সচেতনতার অভাবকেই দায়ী করছেন। ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা বা নেপালে বজ্রপাত হলেও সেখানে মৃত্যুর হার এতো বেশি নয়।''


আবহাওয়াবিদদের পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশে উত্তরাঞ্চল এবং উত্তর পশ্চিমাঞ্চল বজ্রপাত-প্রবণ এলাকাগুলোর অন্যতম। গ্রীষ্মকালে এ অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি থাকায় এ পরিস্থিতির তৈরি হয় বলে তারা বলছেন।

তাদের মতে, যেসব এলাকায় গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে সেসব এলাকায় যে মেঘের সৃষ্টি হয়, সেখান থেকেই বজ্রপাতের সম্ভাবনা থাকে।

কোন কোন গবেষক বলেন তাপমাত্রা এক ডিগ্রি বাড়লে বজ্রপাতের সম্ভাবনা ১০ শতাংশ বেড়ে যায়। পৃথিবীর যে কয়েকটি অঞ্চল বজ্রপাত প্রবণ তার মধ্যে দক্ষিণ-এশিয়া অন্যতম।

উন্নত দেশগুলোতে বজ্রপাতে মানুষের মৃত্যু কমলেও বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এ সংখ্যা বাড়ছে।

বজ্রপাতে মৃত্যুর বিষয়টিকে এখন অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতোই বিবেচনা করছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

বন্যা এবং সাইক্লোনের মতো দুর্যোগের ক্ষেত্রে কিছু প্রস্তুতি নেবার সুযোগ থাকলেও বজ্রপাতের বিষয়টি অনেকটা ভূমিকম্পের মতোই আকস্মিক।

মি. ফারুখ বলছেন, ''বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে ভেনিজুয়েলা এবং ব্রাজিলে। কিন্তু সেখানকার তুলনায় বাংলাদেশে মৃত্যুর ঘটনা অনেক বেশি। খোলা স্থানে মানুষের কাজ করা এবং বজ্রপাতের বিষয়ে তাদের অচেতনতা এর কারণ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন। এর বেশি শিকার হন খোলা মাঠে কাজ করা কৃষক বা জেলেরা। বিশেষ করে হাওড়াঞ্চলে খোলা জায়গায় মানুষজন কাজ করার কারণে সেখানে হতাহতের ঘটনা বেশি ঘটছে।''

গত কয়েক দশকে বড় বড় গাছ কেটে ফেলার কারণেও হতাহতের ঘটনা বেশি ঘটছে বলে তিনি জানান।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী আরো কয়েকদিন বৃষ্টি হতে পারে। তখন বজ্রপাতেরও সম্ভাবনা রয়েছে।

বজ্রপাতের ক্ষয়ক্ষতি ঠেকানোর লক্ষ্যে দেশবাসীকে আগাম সতর্কবার্তা দিতে দেশের ৮টি স্থানে পরীক্ষামূলক ভাবে বজ্রপাত চিহ্নিতকরণ যন্ত্র বা লাইটনিং ডিটেকটিভ সেন্সর বসিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

ঢাকায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় ছাড়াও ময়মনসিংহ, সিলেট, পঞ্চগড়, নওগাঁ, খুলনা পটুয়াখালী এবং চট্টগ্রামে এই সেন্সর বসানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আটটি ডিটেকটিভ সেন্সরের যন্ত্রপাতি কেনায় খরচ হয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকা।


Monday, April 28, 2025

ইসলামিক মোটিভেশনাল উক্তি । Islamic Motivational Quotes

 

ইসলামিক মোটিভেশনাল উক্তি । Islamic Motivational Quotes

ইসলামিক শিক্ষামূলক বাণী ও ইসলামী নীতি বাক্য গুলি শুধু আমাদের জীবন বদলে দিতে পারে তা নয়, বিধর্মী মানুষদেরকেও আলোর পথ দেখায়। তাই চলার পথে আমাদের সকলেরই ইসলামিক প্রবাদ বাক্য গুলি মেনে চলা উচিৎ।


“আমরা পৃথিবীতে সবচেয়ে অপমানিত ছিলাম এবং আল্লাহ আমাদেরকে ইসলামের মাধ্যমে সম্মান দিয়েছেন।” – উমর ​​ইবনে আল খাত্তাব


 
“যখন প্রার্থনা অভ্যাসে পরিণত হয়, সফলতা একটি জীবনধারায় পরিণত হয়।”

“আল্লাহর আনুগত্য ছাড়া আর কারো মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।” – উমর ​​ইবনে আল খাত্তাব 

“দুঃখ একটি উপহার। এর মধ্যে লুকিয়ে আছে করুণা।” – রুমি 

“সুতরাং হৃদয় হারাবেন না এবং হতাশ হবেন না, কারণ আপনি যদি বিশ্বাসে সত্য হন তবে আপনি শ্রেষ্ঠ হবেন” – [সূরা আল-ইমরান ৩:১৩৯]

“আল্লাহ কোন আত্মাকে তার ভার বহন করার অতিরিক্ত বোঝা দেন না।” – [কুরআন ২:২৮৬]

“অতএব যখন তুমি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, তখন আল্লাহর উপর ভরসা কর” – [সূরা আল ইমরান আয়াত ১৫৯] mm m

“সুতরাং যখন কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তা শোন এবং মনোযোগ দাও যাতে তোমাদের রহমত করা হয়।” – [আল-আরাফ আয়াত ২০৪]

“ধনীদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী সেই যে লোভের বন্দী নয়।” – আলী ইবনে আবি তালিব(রা.)

“প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে, সবাইকে ক্ষমা করুন এবং শুদ্ধ চিত্তে ঘুমান।” 

“যে হৃদয় আল্লাহর জন্য স্পন্দিত হয়, সে হৃদয় দুনিয়ার জন্য স্পন্দিত হৃদয়ের মধ্যে সর্বদা অপরিচিত।”

 “নিচু মনের মানুষের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে অশ্লীল বাক্য।” – হযরত আলী (রা)

“অযাচিত দানই দান, চাহিলে অনেক সময় চক্ষুলজ্জায় লোকে দান করে, কিন্তু তা দান নহে।” – হযরত আলী (রাঃ)

“হীনব্যক্তির সম্মান করা ও সম্মানীয় ব্যক্তির অপমান করা একই প্রকার দোষের।” – হযরত আলী (রাঃ

“রমজান সামাজিক সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ব বোধ সৃষ্টি করে।” – আল হাদিস

“যে নিজে সতর্কতা অবলম্বন করে না, দেহরক্ষী তাকে বাঁচাতে পারে না।” – হযরত আলী (রাঃ)

“বুদ্ধিমান ও সত্যবাদী ব্যক্তি ছাড়া আর কারো সঙ্গ কামনা করো না।” – হযরত আলী (রাঃ)

“হীরার মতো হও যা মূল্যবান এবং দুর্লভ, তবে পাথরের মতো হয়ো না যা সর্বত্র পাওয়া যায়।” – বেনামী

“তোমাদের মধ্যে তারাই সর্বোত্তম যাদের আচার-ব্যবহার ও চরিত্র সর্বোত্তম।” – হযরত মুহাম্মদ (সা.)

m

mm

কাশ্মীরে ব্যাপক ধরপাকড়, ভাঙা হচ্ছে বাড়ি: ‘আমার ভাই জড়িত থাকলেও পরিবারের অপরাধ কী’ click here

 

কাশ্মীরে ব্যাপক ধরপাকড়, ভাঙা হচ্ছে বাড়ি: ‘আমার ভাই জড়িত থাকলেও পরিবারের অপরাধ কী’


কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলার ঘটনার পর রোববার রাতেও নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারত ও পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। এ নিয়ে টানা চার রাত ধরে পাল্টাপাল্টি গুলির ঘটনা ঘটল। এ ছাড়া হামলার পর কাশ্মীরে প্রায় ২ হাজার জনকে আটক করেছে ভারতীয় বাহিনী। হামলায় জড়িত সন্দেহের অনেকের ঘর–বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

রোববার রাতের গোলাগুলির বিষয়ে ভারতের সামরিক বাহিনীর ভাষ্য আগের দিনগুলোর মতোই। তারা জানিয়েছে, কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখায় কোনো উসকানি ছাড়াই গুলি ছোড়েন পাকিস্তানি সেনারা। এরপর ভারত এর পাল্টা জবাব দেয়। এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আর আগেই মতোই এদিনও গোলাগুলির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি পাকিস্তান সরকার বা দেশটির বাহিনী।

এই গোলাগুলি নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি অবস্থান করা বাসিন্দাদের নতুন করে দুর্দশার মধ্যে ফেলেছে। এমনই একজন ভারতের ডাওকে এলাকার বাসিন্দা হরদেব সিং। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের মাঠে কৃষিকাজ করতে যেতে পারছি না।’ অন্যদিকে লানজোত এলাকার বাসিন্দা শওকাত আওয়ান বলেন, ‘আমরা এমন পরিস্থিতির মধ্যেই বড় হয়েছি। আমাদের মধ্যে আর ভয় কাজ করে না।’

কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা নতুন নয়। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকে কাশ্মীরের মালিকানা নিয়ে তিনবার যুদ্ধে জড়িয়েছে দুই দেশ। তবে ২২ এপ্রিল পেহেলগামে হামলায় ২৬ জনের মৃত্যুর পর শুরু হওয়া গোলাগুলি বড় উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। কারণ, ওই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করেছে নয়াদিল্লি। যদিও এ অভিযোগ নাকচ করেছে ইসলামাবাদ।

হামলার পর ভিসা বাতিল, সিন্ধু পানিচুক্তি বাতিল, আকাশসীমা বন্ধসহ একরাশ পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। পাকিস্তানের নাম না নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘কঠিন জবাব’ দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। আর পাকিস্তানের রেলমন্ত্রী মোহাম্মদ হানিফ আব্বাসি শনিবার বলেছেন, পাকিস্তানের ১৩০টির বেশি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় স্বজনের মৃত্যুর খবরে কান্নায় ভেঙে পড়েন একজন নারী

পেহেলগাম হামলা ঘিরে এই যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে আজ সোমবার পাকিস্তানের কয়েক ডজন ইউটিউব চ্যানেল নিষিদ্ধ করেছে ভারত। অভিযোগ—ওই চ্যানেলগুলো কাশ্মীর হামলা নিয়ে উসকানিমূলক তথ্য প্রচার করছে। এ ছাড়া ইউটিউবে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন, সামা টিভি, এআরওয়াই নিউজ, বোল নিউজ, রাফতার, জিও নিউজ ও সুনো নিউজের চ্যানেল নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

২ হাজার আটক

পেহেলগামে হামলায় জড়িত সন্দেহে তিনজনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেছে ভারতীয় পুলিশ। তাঁদের মধ্যে দুজন পাকিস্তানি বলে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, এই তিনজন পাকিস্তানভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী লস্কর–ই–তাইয়েবার সদস্য। গোষ্ঠীটিকে সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় রেখেছে জাতিসংঘ। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ধরিয়ে দিলে ২০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করেছে ভারত।

হামলার পর ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও পুলিশ। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে ভারতের একজন পুলিশ কর্মকর্তা এএফপিকে বলেছেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাশ্মীরের প্রায় দুই হাজার বাসিন্দাকে আটক করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। তাঁদের অনেককে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ধরপাকড় ছাড়াও অনেককে থানায় তলব করা হয়েছে।


ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুলাওয়ামার মুররান গ্রামে সন্দেহভাজন এক সন্ত্রাসীর বাড়ি ভেঙে ফেলার পর ধ্বংসস্তূপের ওপর লোকজন হাঁটছে
ছবি: রয়টার্স

এদিকে হামলায় জড়িত সন্দেহে স্থানীয় অনেকের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত নয়টি বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। এতে অনেক পরিবার নিজেদের সহায়–সম্বল হারিয়েছে। আসিফ শেখ নামে সন্দেহভাজন এক তরুণের বোন ইয়াসমিনা বলেন, ‘আমার ভাই যদি জড়িত থাকেও, তাহলে আমার পরিবারের অপরাধ কী?’

সরকারের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন কাশ্মীরের রাজনীতিকেরা। মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘পেহেলগামের ঘটনার পর অবশ্যই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নির্ণায়ক লড়াই চালাতে হবে। মূলে আঘাত করতে হবে। কিন্তু তা করতে গিয়ে যেন ভুল পদক্ষেপ না হয়।’ আর ভারতের কেন্দ্রীয় আইনপ্রণেতা আগা রুহুল্লাহ বলেছেন, একটি ঘটনার জন্য সব কাশ্মীরিকে সাজা দেওয়া হচ্ছে।


Sunday, April 27, 2025

What is the reason for the conflict between India and Pakistan over Kashmir?

 

What is the reason for the conflict between India and Pakistan over Kashmir?



India and Pakistan have fought two wars over Kashmir. Now both are nuclear powers, and are once again on the brink of war following the Pulwama incident.

But what is the reason for this conflict between India and Pakistan over Kashmir?

History shows that the dispute over Kashmir began even before Pakistan and India gained independence in August 1947.

The plan for the partition of British India, called the 'Indian Independence Act', stated that Kashmir could join either country - India or Pakistan - as it wished.

The then Hindu Maharaja of Kashmir, Hari Singh, wanted to remain independent or join India. On the other hand, the Muslims of western Jammu and Gilgit-Baltistan wanted to join Pakistan.


In October 1947, Hari Singh, faced with attacks by Pakistani Pashtun tribal forces, signed a treaty of accession to India, and received military support from India. This eventually led to the Indo-Pakistani War of 1947, which lasted for almost two years.

India raised the Kashmir issue in the United Nations Security Council in 1948.

UN Resolution 47 called for a referendum in Kashmir, the withdrawal of Pakistani troops, and the reduction of India's military presence to a minimum.



কাশ্মীর নিয়ে ভারত আর পাকিস্তানের লড়াইয়ের কারণ কী?

 

কাশ্মীর নিয়ে ভারত আর পাকিস্তানের লড়াইয়ের কারণ কী?

কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে দু'বার যুদ্ধ হয়েছে। এখন উভয়েই পারমাণবিক শক্তিধর দেশে পরিণত হয়েছে, এবং পুলওয়ামার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও তারা যুদ্ধংদেহি অবস্থানে।

কিন্তু কাশ্মীর নিয়ে ভারত আর পাকিস্তানের এই সংঘাতের কারণ কি?

ইতিহাস বলছে, ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে পাকিস্তান আর ভারত স্বাধীনতা পাবার আগে থেকেই কাশ্মীর নিয়ে বিতর্কের সূচনা হয়েছিল।

'ইন্ডিয়ান ইনডিপেন্ডেন্স এ্যাক্ট' নামে ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির যে পরিকল্পনা তৈরি হয়েছিল তাতে বলা হয়েছিল, কাশ্মীর তার ইচ্ছে অনুযায়ী ভারত অথবা পাকিস্তান - যে কোন রাষ্ট্রেই যোকাশ্মীরের তৎকালীন হিন্দু মহারাজা হরি সিং চাইছিলেন স্বাধীন থাকতে অথবা ভারতের সাথে যোগ দিতে। অন্যদিকে পশ্চিম জম্মু এবং গিলগিট-বালতিস্তানের মুসলিমরা চাইছিলেন পাকিস্তানের সাথে যোগ দিতে দিতে পারবে।

১৯৪৭ সালের অক্টোবরে পাকিস্তানের পাশতুন উপজাতীয় বাহিনীগুলোর আক্রমণের মুখে হরি সিং ভারতে যোগ দেবার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, এবং ভারতের সামরিক সহায়তা পান। পরিণামে ১৯৪৭ সালেই শুরু হয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ - যা চলেছিল প্রায় দু'বছর ধরে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ১৯৪৮ সালে ভারত কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করে।

জাতিসংঘের ৪৭ নম্বর প্রস্তাবে কাশ্মীরে গণভোট, পাকিস্তানের সেনা প্রত্যাহার, এবং ভারতের সামরিক উপস্থিতি ন্যূনতম পর্যায়ে কমিয়ে আনতে আহ্বান জানানো হয়।

কষ্ট ও দুশ্চিন্তা কমানোর উপায়

 

কষ্ট ও দুশ্চিন্তা কমানোর উপায়




গরিব ব্যক্তি ধনী হতে চায়। ধনী ব্যক্তি সবসময় উদ্বিগ্ন থাকে যে সে কিভাবে তার সম্পদকে ধরে রাখবে। অবিবাহিতরা বিয়ে করতে চায়, যারা বিবাহিত তারা সন্তানাদি পেতে চায়। যার সন্তান নেই সে সব সময় সন্তান পাওয়ার জন্য দুআ ও নানা তদবির করে। যার সন্তান আছে তার ভাবনাচিন্তা ঘুরে কিভাবে সন্তানকে জীবনে সফল করা যায় তাকে ঘিরে। এরপর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রচেষ্টা চালাতে থাকে।

মানব অস্তিত্বের এটাই বাস্তবতা। হতাশ হবেন না। চিন্তিত হবেন না। আপনিই বিজয়ী হবেন।

আমরা সবাই জীবনে সমস্যার সম্মুখীন হই। মুসলিম হিসেবে আমাদের জানা থাকা উচিত এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে একটা পরীক্ষা। বরং মুসলিমরা এটাতেই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। বিপদকে এড়ানোর কোন উপায় নেই।

وَ لَقَدۡ فَتَنَّا الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِهِمۡ فَلَیَعۡلَمَنَّ اللّٰهُ الَّذِیۡنَ صَدَقُوۡا وَ لَیَعۡلَمَنَّ الۡکٰذِبِیۡنَ ﴿۳﴾

তাদের পূর্বে যারা ছিল আমি তাদেরকে পরীক্ষা করেছিলাম; অতঃপর আল্লাহ অবশ্য অবশ্যই জেনে নেবেন কারা সত্যবাদী আর কারা মিথ্যেবাদী। [সুরা আনকাবুতঃ ৩]

وَ لَنَبۡلُوَنَّکُمۡ بِشَیۡءٍ مِّنَ الۡخَوۡفِ وَ الۡجُوۡعِ وَ نَقۡصٍ مِّنَ الۡاَمۡوَالِ وَ الۡاَنۡفُسِ وَ الثَّمَرٰتِ ؕ وَ بَشِّرِ الصّٰبِرِیۡنَ ﴿۱۵۵﴾ۙ

আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান-মাল ও ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে। আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও। [সুরা বাকারাঃ ১৫৫]

এমনকি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামও কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। যেমন, যখন তার পুত্র ইবরাহিম মারা গেলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম দুঃখবোধ করলেন। তার আবেগকে কান্না ও বেদনার মাধ্যমে প্রকাশ করলেন। এরপর তিনি আরো কাঁদলেন এবং বললেন, “চোখগুলো অশ্রুপাত করছে, হৃদয় ভারাক্রান্ত। কিন্তু আমরা এমন কিছু বলব না যা আমাদের রবকে অসন্তুষ্ট করে। হে ইবরাহিম, নিশ্চয়ই তোমার বিচ্ছেদে আমরা শোকগ্রস্ত।”বিপদ আল্লাহর পক্ষ থেকে পাঠানো নিয়ামত। মুসলিম হিসেবে আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আল্লাহ আমাদের পরিত্যাগ করেননি। বরং, তিনি চান আমরা তার আরো নৈকট্য অর্জন করি। মানুষকে তার ইমানের স্তর অনুযায়ী পরীক্ষা ও বিপদ-আপদে ফেলা হবে। যদি কারো ইমান শক্তিশালী হয় তাহলে তার জন্য পরীক্ষাও কঠিন হবে। আর তার ইমান দুর্বল হলে তার ইমানের অনুপাতে তাকে পরীক্ষায় ফেলা হবে। এটাই এই জীবনের গল্প। আল্লাহ আমাদের কাছে কখনই ওয়াদা করেননি যে এই জীবনটা আমাদের জন্য জান্নাত হবে। তিনি কখনই ওয়াদা করেননি যে, আমরা জীবনটাকে সর্বোচ্চ উপভোগ করতে পারব।

আল্লাহ সুরা মুলকে বলেন,

الَّذِیۡ خَلَقَ الۡمَوۡتَ وَ الۡحَیٰوۃَ لِیَبۡلُوَکُمۡ اَیُّکُمۡ اَحۡسَنُ عَمَلًا ؕ وَ هُوَ الۡعَزِیۡزُ الۡغَفُوۡرُ ۙ﴿۲﴾

যিনি মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন যাতে তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে পারেন যে, কে তোমাদের মধ্যে আমলের দিক থেকে উত্তম। আর তিনি মহাপরাক্রমশালী, অতিশয় ক্ষমাশীল। [সুরা মুলকঃ ২]

আল্লাহ বলছেন, এই জীবনটা এক পরীক্ষাক্ষেত্র। পরীক্ষাময় জীবন এটি। তিনি ওয়াদা করেছেন, তিনি বিন্দুমাত্র অবিচারও বান্দার প্রতি করবেন না। কুরআনে এসেছে,

لَقَدۡ خَلَقۡنَا الۡاِنۡسَانَ فِیۡ کَبَدٍ ؕ﴿۴﴾

নিঃসন্দেহে আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি কষ্ট- ক্লেশের মধ্যে। [সুরা বালাদঃ ৪]

নিশ্চয়ই মানুষকে সর্বদা দুঃখ-কষ্টের ভেতর দিয়ে যেতে হবে। সে সর্বদাই কিছুর জন্য উদ্বিগ্ন থাকে। কখনই নিজের প্রাপ্তির ওপর সন্তুষ্ট হয় না। কোনো মানুষই দুশ্চিন্তা ও উদ্বিগ্নভাব থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারে না। আমরা যা-ই অর্জন করি না কেন, কখনই আমরা তাতে সন্তুষ্ট হতে পারব না, বরং আমরা আরো বেশী চাইব। এরপর সে প্রচেষ্টার পেছনে সবটুকু সময় ব্যয় করব।

px 20px; outline: 0px; padding: 0px; vertical-align: baseline;">তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, যেহেতু কষ্ট ও উদ্বিগ্নতা জীবনের অংশ, তাহলে জীবনে কষ্ট ও উদ্বিগ্নতা কমানোর জন্য কি করা যেতে পারে? কীভাবে আমরা জীবনের এই বিষয়গুলো নিয়ে কম ভাবতে পারি, যেন এসবের ক্ষতিকর প্রভাব আমাদের পেয়ে না বসে? ইবনুল কাইয়িম রাহ. বলেছেন,

আল্লাহ যখনই কুরআনে হতাশা বা উদ্বিগ্নতার কথা বলেছেন, তিনি সেখানে হতাশা থেকে মুক্তি পাওয়ার কথাও বলেছেন। অথবা তিনি আমাদের সুসংবাদ দিয়ে বলেছেন যে, তিনি আমাদের এসব থেকে মুক্তি দেবেন।

আশা ছাড়বেন না, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হবেন না। আপনিই বিজয়ী হবেন। আল্লাহ সুরা ইউনুসে বলেন,

اَلَاۤ اِنَّ اَوۡلِیَآءَ اللّٰهِ لَا خَوۡفٌ عَلَیۡهِمۡ وَ لَا هُمۡ یَحۡزَنُوۡنَ ﴿ۚۖ۶۲﴾

মনে রেখ, আল্লাহর বন্ধুদের না কোন আশংকা আছে, আর না তারা বিষণ্ন হবে। [সুরা ইউনুসঃ ৬২]

সুতরাং, আল্লাহ সুসংবাদ দিচ্ছেন যে এমন সময় আসবে যখন সব উদ্বিগ্নতা কেটে যাবে। আমরা এমন এক জায়গায় যাব যেখানে কখনই হতাশা বা দুশ্চিন্তায় ভুগতে হবে না, কষ্ট পেতে হবে না। আর সেটা হচ্ছে জান্নাত।

এসব লোকেরা জান্নাতের টিকেট পেয়ে সবার আগে বলবে, আলহামদুলিল্লাহ হিল্লাজি আজহাবা আন্নাল-হাসান। এর অর্থ হচ্ছে, উদ্বিগ্নতা ও দুশ্চিন্তা মানবজাতির জীবনের অংশ যতক্ষণ না সে রবের দেখা পাচ্ছে এবং জান্নাতে প্রবেশ করছে। যত তাড়াতাড়ি আমরা বুঝতে পারব যে আমরা কখনই দুঃখ-কষ্টকে জীবন থেকে পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারব না সেটা আমাদের জন্য ততই ভাল। এটা মানবপ্রকৃতির অংশ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামও উদ্বিগ্নতায় ভুগেছেন। কিন্তু লক্ষ্য হচ্ছে উদ্বিগ্নতা যথাসম্ভব কমানো। বুঝতে হবে যে, স্বস্তি একসময় অবশ্যই আসবে, সব উদ্বিগ্নতার পর। যত উদ্বিগ্নতা আর হতাশা সবই কেবল এই জীবনে। এই সবকিছুই দূর হয়ে যাবে যখন আমরা জান্নাতে প্রবেশ করব। তাই জান্নাতকে দারুসসালাম বলা হয় – শান্তির আবাস। নেই কোন ক্ষতিকর বিষয়, উদ্বেগ বা দুঃখ।mmm

৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানে ভারতের হামলার পরিকল্পনার গোয়েন্দা তথ্য আছে

  ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানে ভারতের হামলার পরিকল্পনার গোয়েন্দা তথ্য আছে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার ভারত আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টা...